করোনা ভাইরাস নামক আজাব ছাইরা দিছে

 এখন এই যে মুসলমানদের উপর অমানবিক র্নিযাতন করছে আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন আজাব দিতেছে না, করোনা ভাইরাস

করোনা ভাইরাস নামক আজাব ছাইরা দিছে

পর্দাকে ধংস করার ষড়যন্ত্র করছিল, নিষিদ্ধ করছিল এখন আল্লাহ এমন রোগ দিয়া দিছে অমুসলিমদের পর্দা করতে বাধ্য করছে, কথা বলেন ঠিক কি না?

ঠিক

এখন ওরা মসজিদেও যায়

আগে মসজিদ বন্ধ করে দিছিলো এখন মসজিদে ইমাম সাহেবর যাইয়া দোয়া চায়

এইযে আজকে আমাদের র্দূযোগ, আমাদের পরাজয়, আমাদের উপর জুলুম, নির্যাতন আমাদের প্রত্যেকটা সেক্টরে মুসলমানের ইমাম র্দূবল হয়ে গেছে

মাওলা তোমায় ভালোবেসে কলিজা পুরে গন্ধ আসে

সম্মানিত উপস্থিতি মুসলমানদের বিজয় কিভাবে হয়েছে এটা আমরা অনেকটাই জানি

মুসলমানদের বিজয় সুর্ন্দয র্সূয বিজ সব কিছু হয়েছে মুসলমানদের্ উওম আদর্শের মাধ্যমে

কথা বলেন ঠিক কি না?

ঠিক

তরবারির জোরে হয়ছে না আদর্শের মাধ্যমে হয়ছে

আদর্শের মাধ্যমে হয়ছে কারণ ইসলামের শুরূ জামানায় নবী মুহাম্মাদ একা ছিলেন তরবারি ধরার মত কেউ ছিলেন না তো সেখানে পুরূষদের মধ্যে

যুবকদের মধ্যে

মহিলাদের মধ্যে

ওনারা কি তরবারি দিয়া, তরবারির জোরে নবী মুহাম্মাদের ভয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছে নাকি তাদের আদর্শে আদর্শিত হয়ে

মত শক্তিশালী মানুষটা তরবারি নিয়া গেছিলো নবীজির কল্যা আনার জন্যে মাথা আনার জন্য একশত উট পাবে পুরস্কার এই হিসেবে তার পরে নবীজির উওম আদর্শ নবীজির উপর যা নাজিল হয় কুরআন সেই কুরআনের তেলায়াত শুইনা মুসলমান হয়ে গেছে না?

এরকম অহর অহর ঘটনা আছে সালমানে ফারাসি, তামিমে দারি সহ বড় বড় সাহাবি শক্তিশালী কাফের শক্তিশালী প্রভাবশালী, প্রতাপশালী কাফের, ইহুদী, খ্রিস্টানদের নেতারা নবীজির আদর্শে আদর্শিত হয়ে মুসলমান হয়ে গেছে

তার পরে আস্তে আস্তে যখন মুসলমানদের সংখ্যা 200, 300 ছড়ায়ছে তখন না মুসলমানরা প্রকাশ্যে আল্লাহ ইবাদত করছে

এর পরেও যখন মুসলমানদের সংখ্যা যখন 200, 300 ছড়ায়ছে তার পরেও মুসলমানরা তরবারি হাতে নেয় নাই

আজকে একটা জাতি বলে মুসলমানরা সন্ত্রাস, মুসলমানদের নবীই ছিল সন্ত্রাস তরবারির ভয় দেখায়া দেখায়া ইসলমের বিজয় ঘটায়ছে

বলেন না নাউজুবিল্লাহ

নাউজুবিল্লাহ

এর পরে নবীজিকে থাকতে দিলোই না

মক্কা থেকে বের করে দিল তরবারি উঠায়ছিলেন নবীজি, উঠান নাই

মক্কা থেকে বের করে মদিনায় পাঠায়দিল

আল্লাহ আদেশে নবীজি মদিনায় চলে গেলেন

মদিনারকেউ মদিনাতেও নবীজিকে শান্তিতে থাকতে দিচ্ছে না, সেখানেও ষড়যন্ত্র নবীজিকে মেরে ফেলার জন্য মুসলমানদেরকে মেরে ফেলার জন্য ইসলামকে ধংস করার জন্য ষড়যন্ত্র চালাইছে, তখন আল্লাহপাক রব্বুল আলামিন বলছেন এবার বাচার জন্য তরবারি হাতে নাও

কিসের জন্য? বাচার জন্য

ওরা আক্রমন করছে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতিহত করেছেন

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে আক্রমণ করেছে এমন ঘটনা অনেক কম

বেশির ভাগ আওরক্ষার জন্য সাহাবা ইকরাম যুদ্ধ করেছেন, যুদ্দের ইতিহাস পড়ে দেখেন বেশির ভাগ যুদ্ধ নবীজি দিফাআন আওরক্ষা মুলক করেছেন

তো ইসলামের যে প্রচার প্রসার ঘটেছে প্রত্যেকটা যুদ্ধে যে মুসলমানেরা বিজয় লাভ করেছে এটা মুসলমানদের ইমানী শক্তির কারণে মুসলমানদের উওম আদর্শের কারনে আল্লাহপাক রব্বুল আলামিন ইসলামের বিজয় দান  করেছেন

বদরের যুদ্ধ প্রথম বড় যুদ্ধ সেখানে মুসলমান মাএ 310 জন 11 জন, 13 জন আর কাফের সংখ্যা 1000, চেয়ে বেশি, কাফেরদের কাছে ঘোড়া আছে উট আছে তরবারি আছে, মুসলমানদের কাছে ঘোড়াও নাই, উটও নাই, তরবারিও নাই খেজুরের ঢাল আছে

কাফেরদের কাছে যুবক শক্তিশালী যুদ্ধা আছে, মুসলমানদের কাছে মরাইলা কিছু বুড়া মানুষ, র্দূবল না খাওড়া র্দূবল মানুষ আছে

এই 300 র্দূবল মানুষ নিয়া শক্তিশালী 1000 এর সাথে যুদ্ধ করছে

কিন্তু যুদ্ধটা করছে ইমান নিয়া, কার উপর ইমান নিয়া?

আল্লাহ উপর বিশ্বাস নিয়া ইমান নিয়া যুদ্ধ করছে এজন্য বিজয় লাভ করছে

এটা গেল বদরের যুদ্ধ, এর পরে আসেন এ আপনার নবীজির জামানার একটা যুদ্ধের কথা বললাম

সাহাবিদের জামানার একটা যুদ্ধের কথা বলি ইয়ারমিকের যুদ্ধ তখন আবুবকর বাদশা

কে বাদশা ?

নবীজির ইন্তেকালের পরে আবুবকর বাদশা

যখন বাদশা তখন ইয়ারমিকের যুদ্ধ হয়ছে মুসলমানদের সংখ্যা ছিল মাএ 35, 40 হাজার

Comments