আপনার মহিলাদেরকে নিয়ে যান। রসুলে পাকের আহলিয়া মানে স্ত্রী অনেক ছিলেন না? এই মোবাহেলার সময় হাদিসে কেতাবে আমি আপনাদের কোড করলাম সমস্ত হাদিস এবং যত তাফসীরের বই আছে কোন কিতাবে ফাতেমা ছাড়া দ্বিতীয় কোন মহিলার নাম নাই। যদি থাকে আমাকে এনে দেখান। বললেন ফাতেমাকে নিয়ে গেলেন ওনার অনেক আহলিয়া ছিলেন মুহমুলিন ছিলেন, কোন মুহমুলিন কে নিয়ে গেলেন না। নেশা আনার জায়গায় শুধু ফাতেমাতুর জোহরা কে নিয়ে গেলেন, আল্লাহর রাসুল এবং আল্লাহ তায়ালা হুকুম করলেন নেশা আনার জায়গায় ফাতেমাকে নিয়ে যান। যাতে বিশ্ব বাসির কাছে আর এইটা স্টাবলিষ্ট হয়ে যায়। দুনিয়ার বুকে ফাতেমার চেয়ে আফজাল আর কোন নারী নাই। সুবাহানাল্লাহ। কিন্তু বহুবচন বলেছেন মহিলাদেরকে নিয়ে যান কিন্তু বহুবচন বলার তো একটা ভেদ থাকবে। খামাখা তো বহুবচন বলবে না, তাহলে তো বলতেন আপনার ঐ মহিলাটিকে নিয়ে যান। একজনকে বহুবচন বলেছেন তার মানে ফাতেমাতুর জোহরা মাধ্যমে যত মহিলা আসবেন দুনিয়ায়। ফাতেমাকে নিয়ে যান আর ওনার দ্বারা যত আওলাত জারি হয়েছে, সবকে আমি সাথে দিয়েছি আল্লাহ তায়ালা বলেছেন। জায়নাব সালাতুল্লাহ সালামুল্লাহ আলাইহা হযরত উম্মে কুলসুম, হযরতে সাকিনা, হযরতে ফাতেমাতুর জোহরা যারা কারবালায় ছিলেন বলে সবাই রোহানী ভাবে আছেন। আল্লাহ আকবার। যার কারণে বললেন নেসানা তার পরে যেটা লাস্টে বললেন এটা খুবই মারাত্বক বললেন, বললেন আপনার জানকে নিয়ে যান এটার মানেতে কোন কোন মোলবি সাহেব মনে করে, যে আপনি বলুন আামি আমাদের পুরূষদেরকে নিয়ে যাচ্ছি, তোমরা তোমাদের পুরুষদেরকে নিয়ে আসো এটা একেবারে গালাত ট্রান্সলেটশন নেসাউনের মানে আনফুস হচ্ছে নাফসের বহুবচন ডিক্টোনারি কোন ডিক্টোনারিতে নাফস মানে পুরুষ লোক নয়। না পুরুষ লোকের আরবি মানে হচ্ছে মানে পুরুষ লোক মানে একটি পুরুষ আর তার বহুবচন রেজান। যদি পুরুষ লোকদেরকে নিয়ে যেতে বলতেন, এই মহিলাদের যেমন বললেন এর এগেনস্টে যদি পুরুষ বলতেন তাহলে হতো, আমি আমাদের পুরুষদেরকে নিয়ে যাচ্ছি তোমরা তোমাদের পুরুষদের কে নিয়ে আসো আল্লাহ তায়ালা রেজালানা আয়াত নাজিল করে নাই বললেন নাফনের বহুবচন নাফস মানে হচ্ছে জান, নাফস মানে প্রাণ, নাফস মানে রূহ, নাফস মানে আত্মা, নাফস মানে আত্মা, নাফস মানে জান। আত্মার বহুবচন হে আমার হাবিব বলুন ওদেরকে বলুন আামি আমার জানকে হাজির করছি, তোমরা তোমাদের জান হাজির কর্। সুবাহানাল্লাহ। যখন আল্লাহ তায়ালা বললেন, আপনি আপনার জানকে নিয়ে যান আল্লাহর রাসুল নিজের জানের জায়গায় মন হালিতে নিয়ে গেলেন। আল্লাহ তায়ালা আয়াতে কারিমা অবর্তিন্ন করে তামান মানব জাতির কাছে স্টাবলিষ্ট করে দিলেন যে দেখো, সুবাহানাল্লাহ। নারওয়ে হায়দালি ইয়ালি, নারওয়ে হায়দালি ইয়ালি, নারওয়ে আজাদ, ইয়ালি, নারওয়ে হোসেন,ইয়া হোসাইন, নারওয়ে তাকবির, আল্লাহ আকবার। আলী জানে মুস্তফাহে নাফসে রাসুল হে, জানে পায়ামবার হে, আপহে নফসে পেয়ামবার মলাপাত লেখেছেন না? লেখেছেন দেওয়ানপাকে, দেওয়ানপাকে এ আয়াতে পাকে তফসির।
আপনিতো নবীপাকের
জান আছে, তো উম্মাত লোক আপনার সাথী কি করে হবে সমান কি করে, বুঝেছেন না? সব কুরআনপাক
হাদিস থেকে আমাদের দেওয়ানে পাকে যা আছে, এ পুরাপুরি কুরআনে পাকে ট্রান্সলেটশন ও তার
তাফসীর। দেওয়ান পাক যদি আপনে বুঝতে পারেন, পড়তে
পারেন এ উর্দু দিয়ে লেখা তো কুরআন পাকের তফসীর পেয়ে যাবেন। বুঝেছেন
না? তো আল্লাহ তায়ালা বললেন যে আপনার নাফসকে নিয়ে যান আলীকে নিয়ে যান, নফস এর জায়গায়
আলীকে নিয়ে গেলেন বললেন এটা আমার জান।
আল্লাহ তায়ালা বলেছেন নাফস
বলে জানসমূহ আল্লাহ রাসূল নিয়ে যাচ্ছেন আলীকে একজন, কয়জন? আলীকে একজনকে আল্লাহ তায়ালা
আয়াত নাজিল করছেন আনফুস জানসমূহ, মানে আমরা দেখতেছি নবী পাকের জান আলী, আল্লাহ বলছেন
আলী তো জান আছেনি আলীর দ্বারা কেয়ামত তক যত আওলাত আসবেন সবই নফসে রাসূল।
Comments
Post a Comment