চিৎকারে রামকালী প্রথমটায় বিশেষ

 অপরাধ ঘটেছে, কে ফল বাতাসে দিয়েছে জল দেয় নি, চড়াং করে সমস্ত শরিরের রক্ত মাথায় গিয়ে উঠলো জয়কালীরএ্যা করে একটা আরতোনাত ধনি তুললেন তিনি, পিসি একটা হতাশ নিশ্বাস ফেলে সে সুরেই সুর মিলিয়ে বললেন, হ্যা জানিনা এখন কার কি অদৃষ্টে আছেফুলতুশির ভুল নয় একেবারে  তেষ্টার জলসহসা জয়কালীর পায়ের খরমটা খুলে হাতে নিয়ে চিৎকার করে উঠলেনচিৎকারে রামকালী প্রথমটায় বিশেষ আশঙ্কিত হননি কারণ পুএ পরিচনদের প্রতি স্নেহ সম্ভাষণ ও জয়কালির এর চাইতে খুব বেশি নিন্ম গ্রামের নয়অতএত সে বেলের আঠার হাতটা মাথায় মুছতে মুছতে পৃত্তি শকাসে এসে দাড়ালকিন্তু একি জয়কালির হাতে খরম, রামকালীর চোখের সামনে কতো গুলো হলুদ রঙ্গের ফুল ভির করে দাড়ালভগবানকে সরণ করো রেমো জয়কালীর বিষণ মুখে বললেন, তোর কপালে আজ মৃত্যু আছেরামকালীর চোখের সামনে থেকে হলুদ রঙ্গের ফুলগুলো লুপ্ত হয়ে গেল, রইলো শুধু নিরন্ধ অন্ধকারসেই অন্ধকার হাতরে একবার খুজতে চেষ্টা করল রামকালী, কোন অপরাধে বিধাতা আজ তার কপালে মৃত্যু দন্দ লিখেছেনখুজে পেল নাখুজবার র্সামথও রইল নাসে অন্ধকারটা ক্রমশো রামকালীর চতন্নর উপর ঝাপিয়ে পড়লএর ঘরে আজ পুজো করছিলি তুই? না রামকালি নিরবপুজোর ঘরেই তাহলে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে কিন্তু কই কি যথারিতী হাত পা ধুয়ে তার পয়তে পাওয়া চিরির জোরার জোটা পরেই তো ঘরে ঢুকেছিল রামকালী, তারপর আসন, তারপর আসমন, তারপর আরতি, তারপর থায় করে মাথায় ধাক্কা লাগলজল দিয়েছিলি ভোগের সময়? এই প্রশ্নটি পুএকে করেছেন করছেন জয়কালী খরমের মাধ্যমেদিশেহারা রামকালী আরো দু দশটা ধাক্কা ধাক্কার ভয়ে বলে বসলো হ্যা দিয়েছিতো, দিয়েছিলি? জল দিয়েছিলি? জয়কালীর পিসি একেবারে নামের বিপরীত ভঙ্গিতে বলে উঠলেন, দিয়েছিলিতো সেজল গেল কোথায় রে হতভাগা গ্লাস একেবারে শুকনো, প্রশ্ন করতেই ঠাকুমা, বুকের গুরু গুরু ভাবটা কিনচিত হালকা মনে হল রামকালী ক্ষিন স্বরে বলে বসলো, ঠাকুর খেয়ে নিয়েছে বোধয়, কি কি বললি আরেক বার ঠক করে্ একটা শব্দআর চোখে অন্ধকার হয়ে যাওয়ার আরো গভীর তম অনুভূতি, লক্ষী ছারা শুয়োর বনবড়া ঠাকুর জল খেয়ে নিয়েছে? শুধূ ভূত হওনি তুমি, সয়তানও হয়েছ, ভয় নেয় প্রাণে তোমার? ঠাকুরের নামে মিছা কথাঅথ্যাত্ মিথ্যা কথাটা যতনা অপরাধ হোক ঠাকুরের নামের সঙ্গে জরিত হয়ে ভিষণ অপরাধে পরিণত হয়েছেরামকালী ভয়ের বসে আবারো মিছে কথা বলে বসে হ্যা সত্যি বলছি, ঠাকুরের নামে দিব্বি দিয়েছিলাম জলবটেরে হারামজাদা বামুনের ঘরে চড়াল চাড়াল ঠাকুরের নামে দিব্বিজল দিয়েছিস তুই, ঠাকুর খেয়ে ফেলেছে? ঠাকুর খায় জল? মাথার মধ্যে জ্বলছে রামকালী মাথার জ্বালায় অস্থির হয়ে সমস্ত ভয় ঢর ভূলে বলে বসলো, খায় না জানো তো দাও কেন? ও আবার মুখে মুখে চোপা জয়কালী আরেক বার শেষ মেষ খরমটা সৎ ব্যবহার করলেন, করে বললেন যা দূর হ বামুনের ঘরে গরু, দূর হয়ে যা আমার সম্মূখ থেকেএই এর বেশি আর কিছুই করেননি জয়কালী আর এরকম ব্যবহার তো তিনি সরর্দাই সকলের সঙ্গে করে থাকেন কিন্তু কিসে যে কি হয়রামকালী চোখের সামনে থেকে যেন একটা পর্দা খসে গেলচিরদিন যেনে আসছে বেশি দয়ালু ব্যক্তি কারণ কারণে অকারণে উঠতে বসতে বাড়ির সকলে বলে, জনারধন দয়া করো কিন্তু কোথায় সে দয়ার কনিকা মাএরামকালী যে মনে মনে প্রাণ ফাটিয়ে চিৎকার করে র্প্রাথনা করলো ঠাকুর এ অবিশ্বাসীদের সামনে একবার নিজে মর্তি প্রকাশ করো একবার অলক্ষ থেকে দৈববানী কর ওরে জয়কালী বৃথা ওকে উতপিরণ করি করসিস জল আমি সত্যি খেয়ে ফেলেছি, এখনো বাতাসা খেয়ে ফেলে বড্ড তেষ্টা পেয়ে গেছিলনাহ দৈববানীর ছায়া মএ নেই, সেই মুহূর্তে আবিস্কার করল রামকালী ঠাকুর মিথ্যে, দেবতা মিথ্যে, পুজপাঠ র্পাথনা সবই মিথ্যে অমক সত্য শুধু খরমপয়তের সময়ে তারও একজোরা খরম হয়েছে তার উপযুক্ত ব্যবহার কবে করতে পারবে রামকালী কে যানে

 

Comments