আমরা আল্লাহ কে পেলাম কি করে সবাই? আমরা আল্লাহ তাল্লাহ দেখি নাই। তাও আল্লাহ প্রতি অন্ধ বিশ্বাস যদি আল্লাহ বিরূদ্ধে বলে দুচর লাগিয়ে দেব। না দেখে আল্লাহ কে মানি, কেন মানি? নবীকে মেনেছি ওনি যা বলেন তা ঠিক। ওনি ইয়া রসুলাল্লাহ আপনি যখন বলেছেন আল্লাহ আছে আমাদের দেখার দরকার নাই। আপনি বলছেন আল্লাহ আছে যান আপনার কথাটা মেনে নিলাম আল্লাহ আছে এই মান, না এর উপরে তো আমি আগে একটা বক্তব্য রেখেছি এই মান, তো যখন যে খোদাকে দেখা যায় না সে খোদাকে মেনে নিলাম ইয়া রসুলাল্লাহ আপনার কথাই যে আপনি যখন বলছেন তাহলে ওটাই হবে। আপনাকে আমরা মানি আপনি কখনো ঝুটা না ভুল বলেন না। আপনি বলছেন আল্লাহ আছে দেখা না যাক, আমরা 360 মূর্তি পুজা করছিলাম যাদের কে খোদা ভাবছিলাম আর আমরা ভাববো না। আমরা আপনাকে ভেবে ফেলেছি, মেনে ফেলেছি আপনি যখন বলেছেন আল্লাহ আছে না দেখে মেনে নিলাম আল্লাহ এক, সেই মুহাম্মাদিন মুস্তফা বলছেন যে হোসাইনকে ভালোবাসে আল্লাহ তাকে ভালোবাসে, এইটা মানতে অসুবিধা কোথায় ভাই, যে খোদাকে দেখা যায় না তাকে যখন নবীপাকের কথায় মানলেন সেই খোদা হোসাইনের জন্য বলছে, আমারে আর শাহজদাকে যে ভালোবাসবে আল্লাহ তাকে ভালোবাসবে এই কথা মানাও হলো ইমান। আল্লাহু আকবার। যে এ কথা অস্বীকার করবে হুজুরকে ইনকা করার জন্য কাফের। কি ঠিক না ভূল? ঠিক। ও কাফের তো হুজুর বললেন এই হাদিসপাকে কি? হাজানে আপনায়া এরা দুজনই আমার পুএ, এই আয়াত পাকে আরো চাবি ইসতাবি করলে, হাসান হোসাইন নবীপাক আমরা হোসাইনকে কেন ভালোবাসি? রাসুলুল্লাহ সন্তান। কেন আমরা মুহাম্মাদিন মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উম্মাত। যেহেতু ওনার উম্মাত তাই ওনার সাথে যার যার রিলেশন্স সব কে বালোবাসি। সুবাহানাল্লাহ। যেহেতু রাসুরূল্লাহ খুন রাসুরূল্লাহ রক্ত হোসাইনের মধ্যে আর রাসুরূল্লাহ যেহেতু বলেছেন এতা আমার সন্তান এ দুজনে আমার পুএ আমার বেটা এবং এদেরকে ভালোবাসা লাগে ভালোবাসা হুজুরের বেটা তাই আমরা ভালোবাসি। সুবাহানাল্লাহ। ঠিক। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। বুঝতে পেরেছেন না? আরো বলেছেন UI নবীপাক বলেছেন আমার বেটা, যদিও নাওয়াশা কিজন্য নবীপাক যখন ডাকতেন তখন বলতেন হে আমার বেটা হে আমার নওয়াছোল বলে ডাকেননি মিশকাত শরীফে 572 পৃষ্ঠা মিশকাত শরীফ তিরমিজি UI হাদিসের আগে যে হাদিসে কিতাব মাদ্রাসায় পড়ানো হয়। বুঝেছেন না? মিশকাত শরীফ 572 পৃষ্ঠা হযরত উম্মল ফাজালবিনতে হারেজ রাযিআল্লাহু আনহা উনি রেওয়াজ করছেন জরিমা হোসাইন আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওনার বেলাপাদ পাক হলো জন্ম গ্রহন করলেন আমার কোলে দেওয়া হল নবীপাক এলেন তো নবীর কোলে ওনাকে দিয়ে দিলাম। নবীপাক কোলে নেয়ার পর খানিক পর দেখি ওনার চোখে পানি, কান্তেছেন কান্না আর আমি আজকে বলবো না কান্নার উপর তো অনেক হাদিস আছে। এটার উপরে আপনাদের বাংলাদেশের দু, তিন জায়গায় আমি লেকচার দিলাম এবারেই, এটার লাইট টেলিকাস্ট ও হয়েছে। তো এই হাদিসটা আমি প্রসংঙ্গক্রমে আসছে বলে বলতেছি, বলে ওনি কানছেন আমি জিজ্ঞাসা করলাম
হে আল্লাহর নবী
আপনের উপর আমার বাপ মা কুরবান মালাকা হে আল্লাহ নবী আপনার কি হয়েছে? আপনি কানছেন কেনো?
এই মাএ জিবরাঈল
আলাহিওয়াসাল্লামকে আমার কাছে পাঠিয়েছিলেন।
এসেছিলেন জিবরাঈল এসে আমাকে
খবর দিয়ে গেলেন আমার এই বেটাকে, এখানে বললেন বেটা
আমার এই বেটা
কে আমার উম্মাতের একটি দল কারবালায় শহীদ করে দিবে। তো নবীপাক
কানছে শহীদ হননি, শহীদ হবেন 56 বছর বাদ শহীদ হয়েছেন। এটা চার
হিজরীর ঘটনা আর শহীদ হয়েছেন 61 হিজরীতে 61 থেকে চার বাদ দিলে 57 তো 57 হবে না 56 মানে
মাস গুলোকে প্লাস মাইনাস করলে 56 বছর কিছু মাস তো ওনার শাহাদাত তের 56 বছর আগে থেকে
যেদিন জন্ম গ্রহন করলেন, সে দিন থেকে আল্লাহ নবী হোসাইনের শাহদাতের কথা খেয়াল করে যদিও
হননি কবে হবেন সেদিনের কথা ইয়াদ করে কান্না কাটি করা কাটি আল্লাহ নবী উম্মাতে মুহাম্মাদের
জন্য সুন্নাতে সাইয়াত বানিয়ে দিলেন।
সুবাহানাল্লাহ। নারায়ে
তাকবীর আল্লাহু আকবার। নারায়ে রিসালা আল্লাহু আকবার।
নারায়ে হায়দারি, নারায়ে
হাসান, নারায়ে হোসেন, নারায়ে হোসেন, আপনি দেখেন ভাই কিতাবে আছে না
নাই? না থাকে আমাকে এনে বলেন,যে কিতাবে নাই।
Comments
Post a Comment